
যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ আরোপ করে আবার একইসঙ্গে সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে ইরানের কাছ থেকে সংলাপ আশা করতে পারে না বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে হুমকি দেবে, আরেকদিকে আলোচনা চাইবে, তা হবে না। যদি মার্কিনিরা আলোচনা চায় তাহলে আগে গুণ্ডামি ও আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।
আজ বুধবার দেশটির রাষ্ট্রয়াত্ত্ব টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই আমাদের দেশের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের গুণ্ডামি এবং আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। আর এরপরই আমরা একসঙ্গে বসতে এবং আলোচনা করতে পারব।”
“যুক্তরাষ্ট্র সবদিক দিয়ে অবরোধ আরোপ করে রাখবে এবং একইসঙ্গে তাদের হুমকি দিয়ে আলোচনার দাবি করবে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।” এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আগের চুক্তিতে যেসব কথা দিয়েছিল সেগুলোও ভঙ্গ করেছেন বলে জানান পেজেশকিয়ান।
তিনি বলেন, “আমি মনে করি কারও সহজে চুক্তিতে যোগ দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু যখন কোনো চুক্তি হয়ে যাবে, তখন এটি শেষ হওয়া পর্যন্ত এতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে— এমনকি যদি এটি পক্ষেও না থাকে।”
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানিদের সঙ্গে মার্কিনিদের ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়। কিন্তু দুই পক্ষই অল্প কয়েকদিনের মধ্যে এটি ভঙ্গ করে। এরপর চুক্তিটি পুরোপুরি ভেস্তে যায়। সূত্র: আলজাজিরা।

