
মানবাধিকার রক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচআরও)-এর রাজশাহী জেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। গত ১২ জানুয়ারি সংগঠনটির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আমিন ও মহাসচিব মো. আনিছুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে রাজশাহী জেলা কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আয়েশা আক্তার লিজা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোসাঃ ফাতেমা আক্তার।
কমিটির কার্যক্রমকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে তিন সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপদেষ্টারা হলেন—অ্যাডভোকেট এনামুল হক, আনজুমান আরা (লিপি) ও মো. জহুরুল ইসলাম (বাবু)।
এছাড়া কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন—সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাঃ মরিয়ম বেগম, সহ-সভাপতি মো. রিয়াল ইসলাম ও ফারহানা ফারুক নাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান (মিলন) ও আবির রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান (বিবেক), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাহেনেওয়াজ পারভেজ ও মো. হাসিবুল ইসলাম (দিগন্ত), কোষাধ্যক্ষ জানে আলম ফরিদ, দপ্তর সম্পাদক মো. সামিউল ইসলাম (সাফি) এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুল বাতেন ও জাহিদ হাসান।
কমিটিতে আরও রয়েছেন—প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইমন আলী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক জুবায়ের আহম্মেদ নীরব, সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাসিমা আক্তার, ক্রীড়া সম্পাদক রেজা মর্তুজা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মহসিনা পারভীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান বিজয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক আবির হাসান রাব্বি, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক সততা খাতুন, অর্থনৈতিক ও পরিকল্পনা সম্পাদক মৌসুমী আক্তার, যুব ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক বিপাশা দাশ, যুব ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোসাঃ মিলি বেগম, মানবাধিকার গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক সোহেলী সুলতানা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিশির, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রুকসনা পারভীন (কণা), শ্রম ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জিন্নাত পারভীন এবং সদস্য মোসাঃ দুখু বেগম।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, রাজশাহীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা এবং দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য। আগামী এক বছর দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তারা।

