
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার কাঁড়িয়াপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একজন ইমাম সহ চারটি পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে গেছে।
সাপাহার উপজেলার সীমান্তবর্তী পাতাড়ী ইউনিয়নের কাঁড়িয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী মাওলানা মোঃ আলতাব হোসেন জানান প্রতিদিনের মত গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তার বাড়ির চালে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। এসময় আগুনের লেলিহান শিখায় নিমিষেই তার নিজের ও তিন ছেলে আতিক বাবু,মেসবাউল হক,সাখাওয়াত হোসেন এর ঘর বাড়ি,আসবাবপত্র,ধান চাল,কাপড়চোপ,হাঁস মুরগী, টাকা পয়সা,পবিত্র কোরআন হাদিস,বিপুল পরিমানের ইসলামী বই পুস্তক সহ প্রায় ১৫/২০ লক্ষ টাকার সম্পদ পুড়ে যায়।
প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সুত্র পাত হতে পারে। তাৎক্ষণিক সাপাহার ফায়ার সার্ভিস অফিসে জানানো হলে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল যথা সময়ে ওই এলাকায় গেলেও কেবল মাত্র কাঁচা রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপের কারনে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি নিয়ে তারা ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি বলেও স্থানীয় লোকজন জানান।
তবে অগ্নিকান্ডের কথা শুনে সেখানে ছুটে যান সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামত পুর থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি'র সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রার্থী মাহমুদুস সালেহীন। তিনি ভুক্তভোগী ইমাম আলতাব হোসেনকে সহানুভূতি জানান। তিনি বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী বিপথগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে আজকে আমি এখানে এসেছি। আমি যদি আগামী নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনীত হই,তবে এভাবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই।"
তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চাল, ডাল ও কাপড় কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। ভবিষ্যতে তার গৃহ নির্মাণের জন্যও তিনি পাশে থাকবেন বলে জানান। সে সময় পাতাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি আনিসুর রহমান সহ স্থনীয় নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে একই সংসদীয় আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। তাছাড়াও স্থানীয় জামায়াতের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারকে কাপড় তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় লোকজন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবার গুলোর সহায়তার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহব্বান জানিয়েছেন।

