
পুলিশ স্বামীর ইউনিফর্ম পরে টিকটক ভিডিও তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার অভিযোগে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) এক কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযুক্ত কনস্টেবলের নাম মো. সাইফুজ্জামান। তাঁর স্ত্রীর নাম সীমা খাতুন।
ঘটনাটি পুলিশের নজরে এলে গত বৃহস্পতিবার আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান কনস্টেবল সাইফুজ্জামানকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। তিনি ওই থানায় কর্মরত ছিলেন।
কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার তিনি জানতে পারেন—সাইফুজ্জামান বিয়ে না করে সীমা খাতুন নামের এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন এবং ওই নারী পুলিশের ইউনিফর্ম পরে টিকটক ভিডিও তৈরি করে প্রকাশ করছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যান।
পরবর্তীতে যাচাই-বাছাইয়ে জানা যায়, সাইফুজ্জামান তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সীমা খাতুনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এ সংক্রান্ত কাবিননামার কাগজপত্র এখনো পাওয়া যায়নি। তবে সীমা খাতুন পুলিশের ইউনিফর্ম পরে টিকটক ভিডিও তৈরি ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন—এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তাৎক্ষণিকভাবে কনস্টেবল সাইফুজ্জামানকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে রাতেই তিনি থানা ত্যাগ করে আরএমপির পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হন।
আরএমপির মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন,
পুলিশ সদস্যের ইউনিফর্ম তাঁর স্ত্রী বা অন্য কেউ পরিধান করতে পারেন না। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সীমা খাতুনের বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায়।

