
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজশাহীতে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা। সোমবার ভোর থেকেই রাজশাহী নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। নগরীর প্রবেশমুখ, জেলা–উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং মহাসড়কের বিভিন্ন মোড়ে বসানো হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট। দেহ তল্লাশির পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। বিশেষ টহলে রয়েছে পুলিশের সিআরটি ইউনিট, পাশাপাশি র্যাবের দলও মাঠে রয়েছে।
ফলে আওয়ামী লীগের ডাকা শাটডাউন রাজশাহীর জনজীবনে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। নগরী ও জেলাজুড়ে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যথারীতি চালু ছিল। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রমেও কোনো বিঘ্ন লক্ষ্য করা যায়নি।
এছাড়া নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গতরাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম জানান, অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে কার্যক্রম স্থগিত ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মোট ৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

