
রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানাধীন ডাংগিপাড়া এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য পাইপ লাইন বসানোকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সেরাজুল ইসলাম, মেরাজ উদ্দিন, নূর সালেহ ও সাজেদা বেগম। তারা বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় মাদ্রাসা সংলগ্ন জমিতে মাটির নিচ দিয়ে পাইপ লাইন বসানোর কাজ চলাকালে সাজ্জাদসহ একদল লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে পাঁচজন মাথা ও বুকে আঘাত পান এবং সাজেদা বেগমের শরীরের একাধিক স্থানে জখম হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, নতুন বাড়ির পয়ঃনিষ্কাশনের কোনো বিকল্প না থাকায় গত মঙ্গলবার মাদ্রাসার ম্যানেজারের অনুমতি নিয়ে সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে পাইপ বসানোর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও দেনাপাওনার জেরে সাজ্জাদ তাদের কাজে বাধা দেন এবং পরদিন সকালে হামলা চালান।
অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের আশরাফুল দাবি করেন, “যে জমির উপর দিয়ে পাইপ বসানো হচ্ছিল সেটি তার মামা সাজ্জাদের। অনুমতি ছাড়াই তারা বহিরাগত ভাড়া করে পাইপ বসাতে চেয়েছিল। এতে বাধা দিলে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ ঘটে। আমাদের পক্ষের শওকত ও আজগরও গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।”
এ ঘটনায় মাদ্রাসার ম্যানেজার ফরিদ বলেন, “উভয়পক্ষই মাদ্রাসার ট্যাংকির সাথে তাদের বাড়ির লাইন সংযুক্ত করতে চেয়েছে। অনুমতি দেওয়া হলেও পাইপের কিছু অংশ সাজ্জাদের জমির উপর দিয়ে যাচ্ছিল। এ নিয়েই মূল বিরোধ।”
শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মুস্তারী বলেন, “সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তারা চাইলে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

