উত্তরা প্রতিদিন
ঢাকা

‘গুপ্ত’ ইস্যুতে মুখোমুখি, সারা দেশে সংঘাতে ছাত্রদল-শিবির

উত্তরা ডেস্ক ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ণ
‘গুপ্ত’ ইস্যুতে মুখোমুখি, সারা দেশে সংঘাতে ছাত্রদল-শিবির

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে দেয়াল লিখন পালটে দেওয়াকে ঘিরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সৃষ্ট সংঘাত পরবর্তী কয়েক দিনের ব্যবধানে ছড়িয়েছে সারা দেশে। চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এই স্ফুলিঙ্গ মুহূর্তেই ছড়িয়ে গেছে ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, কুষ্টিয়া, রংপুর ও কক্সবাজারে। পালটাপালটি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে।

ক্যাম্পাসের সীমানা পেরিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের দ্বন্দ্ব রূপ নিয়েছে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ বা বয়ান তৈরির এক বৃহত্তর যুদ্ধে। একদিকে ‘গুপ্ত’ রাজনীতি উচ্ছেদের ডাক, অন্যদিকে ‘মব কালচার’ ও ‘আদু ভাই’ পুনর্বাসনের অভিযোগ— সব মিলিয়ে ছাত্রদল আর শিবিরের মুখোমুখি অবস্থান ক্রমেই সহিংসতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এমনকি এ দ্বন্দ্ব ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়েই নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘ছাত্র রাজনীতির উপযোগিতা বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন ছাত্রলীগের অনুপস্থিতিতে কে কত মাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় দখল করে টেন্ডারবাজি ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, সেই প্রতিযোগিতা থেকেই মূলত সংঘাত চলছে।’

একসময়ের মিত্র জামায়াত-শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তা কিছুটা একাত্তরের বিভাজন বা আদর্শিক হলেও এর মূল কারণ দখলদারি— এমনটিই অভিমত নিজাম উদ্দিন আহমেদের।

সংঘাতের সূত্রপাত চট্টগ্রামে

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজের ভবনের দেয়ালে একটি গ্রাফিতি রয়েছে, যার নিচে লেখা ছিল— ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’। গত ২০ এপ্রিল রাতে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী সেখানে গিয়ে গ্রাফিতি থেকে ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে ‘গুপ্ত’ লিখে দেন।

এ ঘটনার জের ধরে পরদিন ২১ এপ্রিল সকালে বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে বিকেলেও দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা আরেক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

ঢাবিতেও দেয়াল লিখন ঘিরে উত্তেজনা

চট্টগ্রামের সংঘর্ষের পরদিন ২২ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক হলে দেয়াললিখন নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় দুই ছাত্রসংগঠনের মধ্যে। এ দিন রাতে বিজয় একাত্তর হলে ‘প্রতিবাদী দেয়াললিখন’ কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল, যেখানে দেয়ালে ‘গুপ্ত’সহ নানা বিষয় লিখছিলেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এতে বাধা দেন হল সংসদের ছাত্রশিবির প্যানেলের পাঠকক্ষ সম্পাদক তারেক রহমান শাকিব। ছাত্রদলের অভিযোগ, বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে তারেক ছাত্রদলের একজন কর্মীকে গালাগালি করেন এবং এক কর্মীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন।

একই রাতে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলেও একই ইস্যুতে উত্তেজনা তৈরি হয় দুই সংগঠনের মধ্যে। ছাত্রদল হলে ‘গুপ্ত রাজনীতি নিপাক যাক’ লিখলে প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ‘আদু ভাইদের ঠিকানা, আবাসিক হলে হবে না’ লেখা হয়।

পরে গভীর রাতে শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের অতিথিকক্ষে ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘গুপ্ত শিবির’ লিখে দেওয়াললিখন করা হয়। হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক জহির রায়হান রিপন এ দেওয়াললিখনকে ‘মস্তিষ্কবিকৃত কার্যক্রম’, ‘রাজনৈতিক নোংরামি’ হিসেবে অভিহিত করে ফেসবুকে পোস্ট দেন।

পরদিন ২৩ এপ্রিলও বিকেলে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিকের নেতৃত্বে দেয়াললিখন কর্মসূচি পালিত হয়।

শাহবাগ থানায় উত্তেজনা, মারধর

ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংঘর্ষিক অবস্থানের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ স্ক্রিনশট পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের মধ্যে শাহবাগ ও ঢাবিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।

এ ঘটনায় ডাকসুর দুই নেতা মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ ও এ বি জুবায়ের শাহবাগ থানায় মারধরের শিকার হন। ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতিসহ অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হন।

এ ঘটনা তদন্তে ছাত্রদল চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পাঁচ দিনের মধ্যে এ কমিটিকে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে

রাজশাহী-কুষ্টিয়ায় পালটাপালটি হুঁশিয়ারি

চট্টগ্রামের সংঘর্ষের প্রতিবাদে ওই রাতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। সমাবেশে রাবি ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘যদি বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর, বাংলাদেশপন্থি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের ওপর হামলা করা হয়, ছাত্রশিবিরের সেই বিষ দাঁত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উপড়ে বিতাড়িত করে পাকিস্তানে ফেলে দেবে।’

পরে রাত ১০টায় ছাত্রদলের ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’র প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির। সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ‘সিটি কলেজে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘চান্দাদলের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস, একসাথে চলে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

পরে ২৪ এপ্রিল ইবি ছাত্রদলের এক সমাবেশে সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদের নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’

মুখোমুখি নানা স্থানে

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম— বড় শহর পেরিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাতের রেশ তৃণমূল পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পালটাপালটি কর্মসূচি, বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পরিস্থিতি।

পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ হয়েছে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটেও। রংপুরে ‘গুপ্ত নীতির দিন শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) ছাত্রদল। মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দ নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও পালটাপালটি মিছিলের ঘটনাও ঘটে।

দুই সংগঠনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারেও। ২৪ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষার দিন সকালে কলেজ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসে স্টল স্থাপন করে। ছাত্রদল এতে বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

কী বলছে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে গত শুক্রবার ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরকেই দোষারোপ করেন। ছাত্রদল সহনশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিল করছে দাবি করে তিনি ছাত্রশিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধেই উসকানি দেওয়ার অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে রাকিবুল ইসলাম রাবিক বলেন, গুপ্ত রাজনীতি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম নোংরামির অশ্লীল ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে প্রতিনিয়ত সে পরিস্থিতি তৈরি করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে রাবির সালাহউদ্দিন আম্মার আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন। বিকৃত মানসিকতার সালাহউদ্দিন আম্মার জিয়া পরিবারকে নিয়ে বিভিন্ন অশ্লীল-নোংরা স্ট্যাটাসই শুধু নয়, ছাত্রদলকেও গালি দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

সবাইকে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানিয়ে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, আমাদের ভুলত্রুটি হলে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সমালোচনা করবেন, প্রয়োজনে রাজপথে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন। কিন্তু অশ্লীলতা ও নোংরামি বন্ধ করুন। ক্যাম্পাস ও শিক্ষার পরিবেশকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব, সেই কামনা করছি।

পরদিন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ বিবৃতি দেন ইবি ছাত্রদলের অনুষ্ঠানের বক্তব্য ঘিরে। বিবৃতিতে তারা ইবি ছাত্রদলের সাবেক সাবেক সভাপতি ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি’র অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার প্রত্যাশার মধ্যে ছাত্রদল নেতাদের মুখে ‘আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যার ঘোষণা’ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওমর ফারুকের বক্তব্যকে তারা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ও সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জাতীয় সংসদেও ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গ

ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাতের রেশ রাজপথ ছাড়িয়ে পৌঁছে যায় জাতীয় সংসদেও। বিএনপি নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সংসদে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত কড়া ভাষায় ছাত্র রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি ক্যাম্পাসে ফিরে আসা অস্ত্র ও সহিংসতার রাজনীতির তীব্র সমালোচনা করেন।

সংসদ অধিবেশনে এ্যানি বলেন, রাজনীতির সৌন্দর্য হলো বিতর্ক, সেখানে থাকবে আলোচনা-সমালোচনা এবং সে আলোচনা হবে গঠনমূলক। জুলাই আন্দোলনের পর আমাদের প্রতি প্রত্যাশা বাড়লেও গত দুই-তিন দিন ধরে যা লক্ষ করছি— এই জেনারেশন এটা পছন্দ করে না। ফ্যাসিষ্টের ধারাবাহিকতায় চাপাতি নিয়ে, অস্ত্র নিয়ে, রামদা নিয়ে, হকিস্টিক নিয়ে ৫ আগস্টের পর এখনো সেই ছাত্র রাজনীতি থাকবে, ছাত্র রাজনীতির ময়দানটাকে কলুষিত করা হবে— এটি হতে পারে না।

যা বলছেন বিশ্লেষকরা

ছাত্রদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের স্বার্থেই রাজনীতিবিদরা ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে চান না বলে মনে করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ। ফলে সংঘাতের রাজনীতিও বন্ধ হবে না বলেই মনে করেন তিনি। বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, তার কোনো লক্ষণই নেই। বরং সাম্প্রতিক সংঘাত প্রমাণ করে, আমরা পুরনো নোংরা রাজনীতির বৃত্তেই আটকে থাকতে চাই।’

শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যকে চলমান প্রেক্ষাপটে সমর্থন জানান অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন। তবে তার এ বক্তব্য বাস্তবায়নযোগ্য কি না কিংবা আদৌ দলীয় ফোরামে আলোচনা হবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে তার।

অধ্যাপক নিজাম বলেন, সংসদ অধিবেশনে এ্যানি চৌধুরী যে কলুষিত ছাত্র রাজনীতি বন্ধের কথা বলেছেন, আমি তা পূর্ণ সমর্থন করি। এ নিয়ে গণভোট দিলে দেশের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এর পক্ষে রায় দেবে। তবে তার এ কথা তার দলের কোনো পর্ষদে আদৌ আলোচনা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। এ বিষয়ে তার দলের ভেতরে শক্ত অবস্থান নেওয়া উচিত।

Read more — শিক্ষা
Home