উত্তরা প্রতিদিন
ঢাকা

মার্কিন আগ্রাসনে পরমাণু অস্ত্রের দিকে ছুটছে বিশ্ব: ইরান

উত্তরা প্রতিদিন বিদেশ ডেস্ক ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ণ
মার্কিন আগ্রাসনে পরমাণু অস্ত্রের দিকে ছুটছে বিশ্ব: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড অনেক দেশকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের কথা ভাবতে বাধ্য করেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্থিতিশীলতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি।

রেজায়ি বলেন, ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের মূর্খতা প্রকাশ পেয়েছে-বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) সদস্যপদ এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ঠেকাতে পারবে না বলে স্পষ্ট হওয়ায় এমন পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে।

 

রেজায়ি আরও বলেন, আমেরিকানরা আলোচনা ও কূটনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এমনকি ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারকে নিজেদের স্বাক্ষরও তারা লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে ইরানের সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশল নতুন করে সাজানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহসেন রেজায়ি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ অংশ নেবে তেহরান তাদের ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করবে । এক্ষেত্রে হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকার ছাড়াও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য রুটেও হামলা চালাতে প্রস্তুত ইরান।

 

ইরানের এই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, আলোচনা এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে বিশ্বের বাকি দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সংস্কার আনতে হবে।

এর আগে, গত বুধবার ইরানের অর্থনীতিকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য নতুন অভিযানের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের সঙ্গে ব্যাবসা করে বা কোনো ধরনের সহযোগিতা করে এমন দেশের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেন ট্রাম্প।

এদিকে, ইরানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) ঘোষণা দিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করছে।

 

Read more — আন্তর্জাতিক
Home