
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে রোববার (১৫ মার্চ) এই নিয়োগ প্রদান করা হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ। তার নিয়োগ পাওয়ার পর রোববার বিকালে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়। শুধু দলীয় জনগণ নয়; সাধারণ জনগণও তাঁকে অভিনন্দন জানান। সেইসাথে তাঁর সফলতা কামনা করেন।
প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়ায় তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। রোববার সন্ধ্যায় এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করছি নতুন প্রশাসকের হাত ধরে জেলা পরিষদের কার্যক্রম গতিশীল হবে এবং রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। আমি তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা বলেন, তারেক রহমান যে গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে প্রদান করেছেন তা তিনি সঠিকভাবে পালন করবেন। সেইসাথে মন্ত্রী, এমপি, দলীয় নেতৃবৃন্দসহ পুরো রাজশাহীবাসীকে সাথে নিয়ে রাজশাহী উন্নয়ন করবেন। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সেইসাথে সঠিকভাবে এই দায়িত্ব পালনের জন্য মহান রাব্বুলআলামিনের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি।
অন্যদিকে রাজশাহীসহ দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন- পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় আবু বক্কর সিদ্দিক, নাটোরে রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ.কে.এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ.কে.এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়াী সিরাজুল ইসলাম , কুমিল্লা মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।

