
রাজশাহীতে চলতি বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মহানগরীর বিভিন্ন বাজার থেকে সংগৃহীত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম পর্যালোচনা করে শীর্ষ আলেমদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে এ হার নির্ধারণ করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর দরগাপাড়ায় অবস্থিত জামেয়া ইসলামিয়া শাহ মখদুম মাদরাসার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম মাওলানা আব্দুল খালেক। সভায় জানানো হয়, আটা প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে ১ কেজি ৬৫০ গ্রামের মূল্য ৮২ টাকা ৫০ পয়সা হওয়ায় দরিদ্রের স্বার্থ বিবেচনায় সর্বনিম্ন ফিতরা ৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যব প্রতি কেজি ১২০ টাকা দরে ৩ কেজি ৩৩০ গ্রামের মূল্য ৩৯৬ টাকা হওয়ায় ফিতরা ৪০০ টাকা ধরা হয়েছে। খেজুর প্রতি কেজি ৭০০ টাকা দরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের মূল্য হিসেবে ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা। কিসমিস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে একই পরিমাণের মূল্য অনুযায়ী ফিতরা ২ হাজার ৬৪০ টাকা। আর পনির প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের মূল্য হিসেবে সর্বোচ্চ ফিতরা ৩ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় মহানগরীর বিভিন্ন মাদরাসা ও মসজিদের আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। সভার মুখ্য সমন্বয়ক মাওলানা মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান কাসেমী জানান, জনগণের সুবিধার্থে একটি মধ্যম হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু সর্বনিম্ন হার গ্রহণ না করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণ বিবেচনায় রেখে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ফিতরা আদায় করা উত্তম।

