
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীরা এক অনন্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে তুলে ধরলেন গণতন্ত্র, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের দৃষ্টান্ত। শনিবার সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তাদের এই ব্যতিক্রমী “মিলন মেলা”।
নির্বাচনে হারজিতের হিসাব পেছনে ফেলে, এদিন একে অপরের সঙ্গে গল্প, গান আর আড্ডায় মেতে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা। মেলায় বিজয়ীদের কেউ উপস্থিত না থাকলেও পরাজিত প্রার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে পুরো মাঠ।
একজন প্রার্থী হাসিমুখে বলেন, “হারজিত তো নির্বাচনেরই অংশ। আজ আমরা সবাই একসঙ্গে বসেছি মনের আনন্দে। এই মিলনই আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় নতুন শক্তি দেবে।”
মেলার পরিবেশ ছিল উচ্ছ্বাসে ভরা। কেউ গাইছিলেন গান, কেউ আড্ডায় ব্যস্ত। অনেকে একে অপরের সঙ্গে ছবি তুলছিলেন স্মৃতির জন্য। পরাজয়ের দুঃখ ভুলে সবাই মিশে গেলেন বন্ধুত্বের আবহে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, এটি কেবল একটি মিলন মেলা নয়, বরং রাকসু নির্বাচনের গণতান্ত্রিক চেতনার এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি। তারা মনে করেন, এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা ছড়িয়ে দেবে।
রাত গড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবাস বাংলাদেশ মাঠে ভেসে বেড়ায় হাসির রোল ও সুরের ঝংকার। হারজিতের গণ্ডি পেরিয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর এই মুহূর্তটি রাবির শিক্ষার্থীদের মনে রেখে যাবে ভিন্নধর্মী উদাহরণ হিসেবে।

