
উজানের ঢলে হুহু করে বাড়ছে পদ্মা নদীর পানি। ফলে নদী অববাহিকার কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে এসব জেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবারে নেমে এসেছে দুর্দশা। বন্ধ করে দিতে হয়েছে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পদ্মা নদীর উজানে ফারাক্কা ব্যারেজের ১০৯টি গেটের সব কটি ভারত খুলে দেওয়ায় এ বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। এসব এলাকায় ব্যাপক পরিমাণ ফসলি জমিও পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে ও শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদানও। ফলে ওই সব এলাকার মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে। পদ্মা নদীর উজানে ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজের ১০৯টি গেটের সব কটি বর্তমানে খোলা। এই ফারাক্কা ব্যারাজের মাধ্যমেই ভারতের গঙ্গা নদী থেকে পানি আসে বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যগুলোর খরবে বলা হয়েছে, ভারতের বিহার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে ফারাক্কার সব কটি গেট খুলে দেওয়া হয়। ফারাক্কার সব গেট খুলে রাখার কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গত ৫ দিনে পানি বেড়েছে ৬৫ সেন্টিমিটার। সব গেট খুলে দেওয়ায় অতিরিক্ত পানিপ্রবাহের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার আশঙ্কা করছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, দু-এক দিনের মধ্যেই নদীর পানি কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় পদ্মার পানি ২১ দশমিক ৭৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে তা বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। অন্যদিকে মহানন্দায় ১০ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবা নদীতে পানি বেড়েছে ১৩ সেন্টিমিটার। মহানন্দার পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১২ মিটার ও পুনর্ভবা নদীর পানি ২ দশমিক শূন্য ৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে পানি বাড়ছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ১ হাজার ৩০০ ও আলাতুলি ইউনিয়নের ৫০০ পরিবার পানিবন্দি। এ ছাড়া শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের ১ হাজার ৭০০ পরিবার, উজিরপুর ইউনিয়নের ২৫০ ও দুর্লভপুর ইউনিয়নের ২৫০ পরিবার পানিবন্দি জীবনযাপন করছে। এ ছাড়া জেলার ৫ উপজেলায় বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে ৫৬ দশমিক ৫ হেক্টর ফসল আক্রান্ত হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিকুল ইসলাম জানান, জেলার ৫ উপজেলায় বৃষ্টি ও বন্যায় ৫৬ দশমিক ৫ হেক্টর ফসল আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে আউশ ধান ২ দশমিক ৯ হেক্টর, আমন ৪ হেক্টর, মাস কলাই ৩১ দশমিক ৫ হেক্টর, শাকসবজি ১৪ দশমিক ২ হেক্টর, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজতলা ৩ দশমিক ৪ হেক্টর, হলুদ শূন্য দশমিক ৫ হেক্টর আক্রান্ত হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজহারুল ইসলাম বলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর–এই তিন ইউনিয়নের ১ হাজার ১০০ পরিবার পানিবন্দি। দুর্গতদের সহায়তার জন্য ইতোমধ্যে ১১ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই চাল বিতরণের কার্যক্রম চলমান। এ ছাড়া বন্যার পানির কারণে এ এলাকার ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম বলেন, সদর উপজেলার দুটি ইউনিয়নে ১ হাজার ৮২৮ পরিবার পানিবন্দি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব জানিয়েছেন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মায় ২৪ ঘণ্টায় ৭ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। তবে আজ (শনিবার) থেকে পানি কমের সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজশাহীতে পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ
এক দিন যে জায়গায় ছিল স্কুল, পরদিন সেখানে শুধু পদ্মার পানি। যেখানে ছিল বসতঘর, সেখানে এখন নদীর স্রোত। চোখের সামনে ঘরবাড়ি, মসজিদ, ফসলি জমি আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হতে দেখছেন পদ্মার চরাঞ্চলের মানুষ। উজানের ঢল ও পাহাড়ি ঢলে পদ্মার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে নদীভাঙন। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান। এ ছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন অন্যত্র।
শুধু বাঘার চকরাজাপুর নয়, রাজশাহী মহানগরীসংলগ্ন পবা উপজেলার চর খিদিরপুর, খানপুর, মাঝারদিয়াড়, ১০ নম্বর চর ও চর আষাঢ়িয়াদহেও পদ্মার পানি উপচে পড়েছে। দুই উপজেলার চরাঞ্চলে এখন পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে। বসতঘর ও উঠানে পানি ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্না ও স্বাভাবিক বসবাস ব্যাহত হচ্ছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও গোখাদ্যের সংকট। বাড়ছে সাপের উপদ্রবও। শেষ সম্বল গবাদিপশু, ধান, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে অনেকে নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
নদীপাড়ের হাজার হাজার মানুষ এখন নিরাপদ আশ্রয়, খাবার ও গবাদিপশুর খাদ্যের সংকটে পড়েছেন। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে হঠাৎ করেই পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে শুরু হয় তীব্র নদীভাঙন। একপর্যায়ে বাঘার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশী ফতেপুর, আতারপাড়া ও চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙনের কবলে পড়ে। বিদ্যালয়ের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চকরাজাপুর ইউনিয়নের ১৫টি চরে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব চরে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। চকরাজাপুর, কালীদাসখালী, লক্ষ্মীনগর, দাদপুর, নিচ পলাশী, পলাশী ফতেপুর, আতারপাড়া, চৌমাদিয়া ও দিয়ারকাদিরপুরসহ বিভিন্ন চরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে শতাধিক বসতবাড়ি ও মসজিদ পদ্মাগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ভাঙনে ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলো অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। কারও শেষ সম্বলটুকুও রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
নৌকায় শহরমুখী মানুষ
পবার চর খিদিরপুরের চিত্রও এখন ভয়াবহ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে উপচে পড়া পানিতে ‘মিডিল চরে’ দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ বাড়ির উঠান ও বসতঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্না ও বসবাস প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। গবাদিপশুর খাদ্যসংকট ও সাপের উপদ্রব বাড়ায় অনেকে শেষ সম্বল গরু-ছাগল, ধান, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে নৌকায় করে শহরের ঘাটে পাড়ি জমাচ্ছেন। শুধু চর খিদিরপুর নয়, চর খানপুর, মাঝারদিয়াড়, ১০ নম্বর চর ও চর আষাঢ়িয়াদহেও দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এমনকি রাজশাহী নগরীর তালাইমারী শহিদ মিনার এলাকার আলোর পাঠশালার মাঠও পানিতে তলিয়ে গেছে।
বাড়ছে পানির চাপ
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মার বিপৎসীমা ১৮ দশমিক শূন্য ৫ মিটার। গতকাল সকাল ৯টায় নগরের বড়কুঠি পয়েন্টে পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ২০ মিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৮৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ১২ মিটার। আর বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ৯৫ মিটার ছিল। প্রতিনিয়ত পানির উচ্চতা বাড়ায় নতুন নতুন এলাকা, নদীর চর ও তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।
প্রশাসনের তৎপরতা
রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসার জন্য চরাঞ্চলসহ তিনটি স্থানে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে। গবাদিপশু রাখার জন্য ভ্রাম্যমাণ আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য প্রায় ১০ ফুট উঁচু দুটি বড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় অর্ধলাখ মানুষ পানিবন্দি
কুষ্টিয়ার পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় অর্ধলাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ডুবে গেছে সড়ক ও আবাদি জমি। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ রয়েছে শ্রেণি কার্যক্রম। রান্নার জায়গা ও চলাচলের পথ তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিষধর সাপের উপদ্রব। ঘরবাড়ি ও বসতভিটার আশপাশে সাপের আনাগোনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বানভাসি মানুষ। পাবনা ওয়াটার হাইড্রোলজি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় এক সপ্তাহ ধরে পদ্মা নদীতে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১০ সেন্টিমিটার করে পানি বাড়ছে। গতকাল সকাল ৯টায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক শূন্য ২ সেন্টিমিটার। সেখানে বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার মাত্র শূন্য দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নৌকা, ডিঙ্গি নৌকা (টিন দিয়ে তৈরি বিশেষ নৌকা) ও ভেলাই হয়ে উঠেছে চলাচলের প্রধান মাধ্যম। অনেক পরিবারের রান্নার জায়গা পানিতে তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও খামারিরা। চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে গত দুই-তিন দিনে তার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ১৯টি গ্রামের মধ্যে ১৭টির নিম্নাঞ্চলের ঘর বাড়িতে পানি উঠে গেছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। স্কুলগুলোতে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি ওঠার পর থেকে বিষধর সাপের উপদ্রবও বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা গত বুধবার দুপুরে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০টি পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণ হিসেবে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
দুর্গতদের দাবি, দ্রুত পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি সাপের কামড়ের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

