
দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন। নানা জটিলতা, সাতবার তফসিল পরিবর্তন ও তিন দফায় তারিখ পেছানোর পর আজ বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে অবশেষে ভাঙছে ৩৫ বছরের অচলায়তন, রাকসুতে উদিত হচ্ছে নতুন সূর্যোদয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শুরুর দিকে অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ সময়ে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।
নির্বাচনের পটভূমি ও ইতিহাস : ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৩ বছর পরে ১৯৫৬-৫৭ মেয়াদে প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়। পরে ১৯৫৭-৫৮ সালে আরেকটি নির্বাচন হয়। ওই সময় এর নাম ছিলো রাজশাহী ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (রাসু)। পরে মাঝখানে আইয়ুব খানের শাসনামলে বন্ধ থাকে এর কার্যক্রম। পরে ১৯৬২ সালের সিন্ডিকেটের এক সভায় নাম পরিবর্তন করে যাত্রা শুরু করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। নবোদ্যমে যাত্রা শুরুর পর ১৯৬২ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত প্রতি বছরই নির্বাচন হয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরে ১৪ বছরের পাকিস্তানি আমলে নির্বাচন হয়েছে ১০ বার।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের সামগ্রিক কারণে বন্ধ থাকে রাকসু নির্বাচন। পরে ১৯৭২ সাল থেকে আবারও ধারাবাহিকভাবে চলে নির্বাচন প্রক্রিয়া। রাকসু নির্বাচনের এই ধারায় বড় ধাক্কা লাগে ১৯৭৫ সালে। এর পরে ১৯৮০ পর্যন্ত নির্বাচন হয়নি একবারও। পরে একটি নির্বাচন হয় ১৯৮০-৮১ মেয়াদে। এরপরে আবারও টানা ৭ বছর বন্ধ থাকে শিক্ষার্থীদের এই প্লাটফর্ম। পরে দুটি নির্বাচন হয় ১৯৮৮-৮৯ ও ১৯৮৯-৯০ মেয়াদে। এরপরে দেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র ফিরলেও বন্ধ হয়ে যায় ছাত্র সংসদ।
স্বাধীনতার পরের ৫৪ বছরে নির্বাচন হয়েছে মাত্র ৬ বার। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রভাবে শিক্ষার্থীরা রাকসু পুনরায় চালুর দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মুখে তফসিল ঘোষণা করে প্রশাসন। নানা বাধা পেরিয়ে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ঐতিহাসিক নির্বাচন।
রাকসু নির্বাচন-২০২৫: রাকসুর ২৩টি পদের বিপরীতে ২৪৭ জন এবং সিনেটের ৫টি পদে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ১৮ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৩ জন এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবারের আলোচিত প্যানেলগুলো হলো- ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতৃত্বে গঠিত ‘রাকসু ফর র্যাডিক্যাল চেঞ্জ’, সাবেক সমন্বয়কদের নেতৃত্বে ‘আধিপত্যবাদবিরোধি ঐক্য’, বাম জোটের ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’, ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ঘোষিত ‘অপরাজেয় ৭১, অপ্রতিরোধ্য ২৪’, সাবেক আরেক নারী সমন্বয়কের নেত্বতে ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন মনোনিত ‘সচেতন শিক্ষার্থী পরিষদ’।
আলোচনায় শিবির, ঐতিহ্য হারাচ্ছে বামরা: বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ‘রাসু’ নামে দুইবার এবং ‘রাকসু’ নামে ১৪ বারসহ মোট ১৬ বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব নির্বাচনে নির্বাচিত ৩২ জন ভিপি-জিএস এর মধ্যে বাম ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৩ জন। গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে বাম রাজনীতির সাথে যুক্ত প্রার্থীদের অবস্থান বেশ নড়বড়ে। সাতটি বাম ছাত্রসংগঠন মিলে একটি প্যানেল দিলেও তারা পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি। ভোটের মাঠেও তারা নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেননি।
এদিকে নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে ছাত্রদলের প্রার্থী আছেন একজন। তিনি সর্বশেষ কমিটির ভিপি ছিলেন। বর্তমান ছাত্রদলের প্যানেলও মাঠে শক্ত অবস্থানে আছে। তবে, এর আগে রাকসুর শীর্ষ দুই পদে শিবির কখনো জয়ী হতে না পারলেও এবারের নির্বাচনী মাঠে দলটির শক্তিশালী অবস্থান আছে।
জয়ের ফ্যাক্টর অনাবাসিক ও নারী শিক্ষার্থীরা : বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী অনাবাসিক এবং মোট ভোটারের ৩৯ দশমিক ১৪ শতাংশ নারী। এই দুই গোষ্ঠীকে নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মনে করছেন প্রার্থীরা। তাই, এই দুই গোষ্ঠীকে টার্গেট করে নিজেদের ইশতেহার সাজিয়েছেন সকলে। এই ভোটারদের আকৃষ্ট করতে চালিয়েছেন সর্বোচ্চ প্রচারণা।
প্রার্থীরা এসব ভোটারদের সমর্থন পেতে ইশতেহারে আবাসন, অনাবাসিকদের জন্য ভাতা, বাসের ট্রিপ বৃদ্ধির বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিয়েছেন। মেসগুলোতেও গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিতকরণে হেল্পলাইন, যৌন নিপীড়ন সেল, সাইবার সুরক্ষা, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, চাইল্ড ডে-কেয়ার বা আইসিইউ, হিজাব বা নিকাব অধিকার এবং চলাফেরার স্বাধীনতার বিষয়গুলো ইশতেহারে স্থান পেয়েছে।
লড়াইয়ে পিছিয়ে নারীরা : রাকসু ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে ৩০৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ছাত্রী আছেন মাত্র ৩৪ জন। মোট প্রার্থীর ১১ দশমিক ১১ শতাংশ নারী। কেন্দ্রীয় সংসদের ২০ পদের মধ্যে ১১ পদে কোনো ছাত্রী প্রার্থী হননি। অথচ এ নির্বাচনে ৩৯ দশমিক ১১ শতাংশ ভোটারই ছাত্রী। ছাত্রীদের ৬ হলে ৯০ পদের বিপরীতে প্রার্থী আছেন মাত্র ১৪০ জন। একাধিক প্রার্থী না থাকায় ছাত্রী হলগুলোতে ৩৯টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন প্রার্থীরা। চারটি হলের চার পদে কোনো প্রার্থী অংশগ্রহণ করেননি।
কেমন নেতৃত্ব চান শিক্ষার্থীরা : কেমন নেতৃত্ব চান, এই বিষয়ে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। তারা জানান, এমন কেউ নেতৃত্বে আসা উচিত, যার কাছে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সবার আগে স্থান পাবে। দলীয় কেউ নির্বাচিত হলেও, তিনি যেন দলের উপর শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন।
পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রানা রায় বলেন, যারা নির্বাচিত হবেন, তারা যেন সবার আগে শিক্ষার্থীদের স্থান দেন। সবার আগে যেন শিক্ষার্থীদের স্বার্থ চিন্তা করেন। দলীয় যোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও তারা যেন দলের থেকে বেশি শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন।
নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার কারণ : নির্বাচনের শুরু থেকেই নানা জটিলতা তৈরি হয়। ছাত্রদল প্রথমে ‘দুই মাস সময় চেয়ে’ আবেদন করে, ফলে তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরে পেছানো হয়। পরে দুর্গাপূজা ও পোষ্য কোটা ইস্যুতে আবারও পরিবর্তন আসে। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধর্মঘট, বিক্ষোভ ও প্রশাসনের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে একাধিকবার ভোট পেছাতে হয়। শেষমেশ ২২ সেপ্টেম্বর কমিশন সভা করে নির্বাচন ১৬ অক্টোবর নির্ধারণ করে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং শিক্ষক-কর্মকর্তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
ভোটারদের মানতে হবে যেসব নিয়ম : নির্বাচন কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে প্রত্যেক ভোটারকে শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। এককেন্দ্রের ভোটার অন্যকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পূর্বে ভোটার তালিকায় নাম, ভোটকেন্দ্র ও টেবিল নম্বর যাচাই করে নিতে হবে। ভোট প্রদানের পূর্বে আঙ্গুলে অমোচনীয় কালি দেওয়া হবে।
এছাড়া ৩টি করণীয় ও ৪টি বর্জনীয় বিষয় ভোটারদের মেনে চলতে বলা হয়েছে। এগুলো হলো- শান্তিপূর্ণভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি ও নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। পছন্দের প্রার্থীর নামের পার্শ্বের চারকোনা ঘরে সরবরাহকৃত সাইনপেন দিয়ে ক্রস (দ্ধ) চিহ্ন দিতে হবে । ভোট প্রদান শেষে ভোটকেন্দ্রের ৫০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে প্রচার-প্রচারণা করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে বিশৃংখলা বা ভীতি প্রদর্শন করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল, ক্যামেরা বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ৭ ঘণ্টা চলবে এই ব্যালট যুদ্ধ। তবে ৪টার মধ্যে যাঁরা ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় প্রবেশ করবেন, যত সময় লাগুক, তাঁরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। একজন ভোটার গড়ে ১০ মিনিট সময়ে কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই সব কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ে ভোট দিতে সক্ষম হবেন বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।
ভোট গণনা হবে ৬টি অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে। বিশ্ববিদয়্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি জায়গায় এলইডি স্ক্রিনে ফল গণনা প্রদর্শিত হবে। ভোট গ্রহণ শেষে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনার পর ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়া সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, “আমরা চাই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এজন্য তিন বাহিনীর সঙ্গে আমাদের নিয়মিত সমন্বয় হচ্ছে। হলগুলোতে যাতে কোনো বহিরাগত না থাকে বা কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।
সাবেকদের স্মৃতিচারণা : ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে রাকসুর ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর প্রার্থী রাগিব আহসান মুন্না। তিনি বলেন, “আমাদের সময় নির্বাচন হতো আনন্দঘন পরিবেশে। বিজিত প্রার্থীরাও রাকসুর কার্যক্রমে যুক্ত থাকতেন। স্বচ্ছ ভোটে যোগ্য প্রার্থীরাই জিততেন।”
তৎকালীন শাহ মখদুম হল সংসদের এজিএস রফিকুল ইসলাম বলেন, “তখন রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব ছিল না। এখনকার মতো বিলবোর্ড, ব্যানার বা প্রচারণার চাকচিক্য ছিল না। শিক্ষার্থীদের অধিকারই ছিল রাজনীতির মূলমন্ত্র।”
রাষ্ট্রক্ষমতার কারণে দীর্ঘ বিরতি : সাবেক রাকসু নেতা ও বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সুলতান আলী বলেন, “১৯৮৯ সালের পর একাধিকবার নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাষ্ট্রক্ষমতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে তৎকালীন সরকার নির্বাচন বন্ধ করে দেয়।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ বছর পর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে—এটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নতুন নেতৃত্ব যেন শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় আন্তরিক হয়।”
প্রশাসনের বক্তব্য : বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “সিন্ডিকেট থেকে গঠিত কমিশন অত্যন্ত দক্ষভাবে কাজ করছে। আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হবে।”
নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এনামুল হক বলেন, আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয়গুলোর দিকে আমরা বিশেষভাবে নজর দিয়েছি। আশা করি কোনো ঝামেলা ছাড়াই, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

