
লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেই রানও পাকিস্তানের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে এখনও ৭২ রানে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান।
দিনের শুরু থেকেই পাকিস্তানের ওপর চাপ তৈরি করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ আক্রমণে প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন টাইগার বোলাররা।
একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাবর আজম। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালিয়ে তুলে নেন অর্ধশতক। সাবেক এই অধিনায়কের ব্যাটেই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছিল পাকিস্তান। কিন্তু নাহিদ রানার গতির সামনে থামতে হয় তাকেও। ফুল লেন্থ ডেলিভারি ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন বাবর। ১০ চারসহ ৬৮ রান করেন তিনি।
বাবরের বিদায়ের পর দ্রুতই আরও চাপে পড়ে পাকিস্তান। ২১ রান করা সালমান আলী আগা তাইজুল ইসলামের বলে সুইপ করতে গিয়ে ধরা পড়েন ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে। এরপর দলের আশা হয়ে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানও ব্যর্থ হন। তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হওয়ার আগে করেন ১৩ রান।
তাইজুলের আঘাত থামেনি সেখানেই। ১৮ রান করা হাসান আলীকেও ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। ফলে ১৮৪ রানেই অষ্টম উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে পাকিস্তান।
দ্বিতীয় সেশন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২০৬ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনও ৭২ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা। লিড নিতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর মাত্র ২ উইকেট।

