
স্বপ্রতিষ্ঠ লেখক, সফল অনুবাদক এবং বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আবুল ফাতাহ কাসেমীর নতুন গবেষণাধর্মী গ্রন্থ 'ইসলাম ও কাদিয়ানি ধর্ম' প্রকাশিত হয়েছে। বইটি বাজারে এনেছে দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সাবাহ পাবলিকেশন। বইটি ইতিমধ্যে রকমারিসহ দেশের উল্লেখযোগ্য বইয়ের প্ল্যাটফর্ম ও লাইব্রেরিগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে, যা পাঠক মহলে সাড়া ফেলেছে।
গ্রন্থটিতে প্রচলিত কাদিয়ানি ফেতনা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। এটি আলেম, খতিব, ছাত্র-শিক্ষক এবং সাধারণ মুসলিম সকলের জন্য উপযোগী করে লেখা হয়েছে। বইটির মূল লক্ষ্য হলো: ইসলাম ও কাদিয়ানি ধর্মের মৌলিক পার্থক্যগুলো সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা। সংক্ষেপে ও সাবলীল ভাষায় কাদিয়ানিদের কাফের হওয়ার কারণগুলো উপস্থাপন করা। ঈমান ও কুফরের পরিচয়, ঈমান ও কুফরের মানদণ্ড এবং কী বিশ্বাস ব্যক্তিকে ঈমানের নূর থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিষয়ে আলোচনা করা।
লেখক মাওলানা আবুল ফাতাহ কাসেমী জানান, তিনি মৌলিক পার্থক্যগুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। তিনি বলেন, মৌলিক পার্থক্য বলার ক্ষেত্রে ইসলামের ৩টি মুল উৎস কুরআন, হাদীস ও ইজমা থেকে ৩টি করে দলিলসহ বের করার চেষ্টা করেছি। এর বিপরীতে কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের লিখিত মূল কিতাব থেকে তাদের দাবির স্বপক্ষে কেবল ৩টি সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বইটির কলেবর স্বাভাবিক রেখেও যেন মৌলিক সব আলোচনা চলে আসে, সেই দিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। গ্রন্থটি প্রকাশের আগে বিজ্ঞ আলেমদের দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে। খতমে নবুওয়ত ও কাদিয়ানি মতবাদ বিষয়ে গবেষক মাওলানা আবদুল মজিদ গ্রন্থটি আগাগোড়া সম্পাদনা ও প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজন করেছেন। এছাড়াও ভারতের ঐতিহ্যবাহী দারুল উলুম দেওবন্দের ‘শায়খুল হিন্দ মজলিসে তাহাফ্ফুযে খতমে নবুওয়াতের’ সহকারী নাযেম মাওলানা শাহ আলম গৌরকপুরি পাণ্ডুলিপি দেখে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের দু'জন প্রাজ্ঞ আলেম বইটির শুরুতে বাণী ও ভূমিকা লিখে এটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছেন।
মাওলানা কাসেমী সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং রুচিশীল প্রকাশনী সাবাহ পাবলিকেশনকে পাঠকের হাতে বইটি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

