
সিলেট টেস্টে একসময় বড় বিপদের মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। দলীয় ১১৬ রানে সপ্তম উইকেট হারানোর পর শঙ্কা জেগেছিল, আদৌ সম্মানজনক সংগ্রহ গড়তে পারবে কি না স্বাগতিকরা। তবে সেই চাপের মুহূর্তে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন দাস। তার লড়াকু সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
দিনের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম সেশনেই শূন্য রানে ফিরে যান ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ২৬ ও মুমিনুল হক ২২ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১০১ রান সংগ্রহ করে।
লাঞ্চের পরই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান-এর হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৯ রানে ফেরেন শান্ত। এরপর খুররম শেহজাদের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন মুশফিকুর রহিম (২৩)।
এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। খুররম শেহজাদের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৪ রান করে। ফলে মাত্র ১৫ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
সেখান থেকেই একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে লড়াইয়ে ফেরান লিটন দাস। তার ১২৬ রানে ভর করে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ২৭৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়।
শেষ ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আসেন নাহিদ রানা। তিনি মোকাবিলা করা চতুর্থ বলেই উইকেটের পেছনে রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন। তার বিদায়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

