উত্তরা প্রতিদিন
ঢাকা

সৌদি যুবরাজ আমাকে তোষামোদ করছেন: ট্রাম্প

উত্তরা প্রতিদিন বিদেশ ডেস্ক ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ণ
সৌদি যুবরাজ আমাকে তোষামোদ করছেন: ট্রাম্প

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ফ্লোরিডার মায়ামিতে সৌদি আরব সমর্থিত এক ব্যবসায়িক ফোরামে উপস্থিত হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে ‘সফল’ বলে দাবি করেছেন। এ সময় তিনি ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘বুলি’ বা বুলডগ হিসেবে আখ্যা দেন, যার কাজ হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ভয়ভীতি দেখানো। এ সময় ট্রাম্প দাবি করেন, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তাঁকে এখন তোষামোদ করছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের খবরে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যে বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। এর বেশির ভাগই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক। তবে তিনি দ্বীপ রাষ্ট্র কিউবার কথাও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার (ন্যাটো) তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের যুদ্ধে ন্যাটো তাঁকে ‘সহায়তা’ করছে না।

ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভে ট্রাম্প ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের বুলডগ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘৪৭ বছর ধরে ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের বুলি বলা হয়েছে। কিন্তু এখন তারা আর বুলি নয়। তারা পালাচ্ছে।’ এ সময় উপস্থিত শ্রোতারা হালকা করতালি দেন। সাধারণত, ইংরেজিতে বুলি বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যার কাজই হলো অন্যকে ভয়–ভীতি দেখানো, ধমকানো।

ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে ‘ধ্বংস করে না দিত’, তাহলে দেশটি ‘দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে’ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত। যদিও তিনি আগেও বলেছেন, গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তাদের কর্মসূচি কয়েক বছর পিছিয়ে গেছে। উপস্থিতিদের সৌদি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তারা এটা তোমাদের ওপর ব্যবহার করত, ইসরায়েলের ওপর, আর সবার ওপর।’

বক্তব্যে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকেও (এমবিএস) একহাত নেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের আগে সৌদি শীর্ষ নেতারা তাঁকে অবমূল্যায়ন করেছিলেন। সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকের প্রসঙ্গ ট্রাম্প বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমরা একসঙ্গে ছিলাম। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন—

অবিশ্বাস্য, এক বছর আগে আপনারা ছিলেন মৃত একটি দেশ, আর এখন আপনারা বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় (হটেস্ট) দেশ। তিনি ভাবেননি যে, এটা ঘটবে।’

 

Read more — আন্তর্জাতিক
Home