
পাঁচ দফা দাবি আদায়ে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ৮ দলের রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী রোববার নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৮ দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়ায় এক মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল। তিনি বলেন, আমাদের দলের রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। অন্য ৭ দলের রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। আমাদের ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। ঢাকায় সমাবেশ হয়েছে। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৩০ নভেম্বর রাজশাহীতে হবে। এদিন ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে দুপুর ২টায় শুরু হয়ে সমাবেশ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
তিনি আরও বলেন, পিআর ও জুলাই সনদ অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। কিন্তু সরকার সেভাবে বাস্তবায়নে ও গণভোট আয়োজনে গড়িমসি করছে। একদিনে গণভোট ও নির্বাচন এটা হাস্যকর। এতে গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। সরকার শুধু উচ্চ কক্ষে পিআর বলছে, আমরা উভয়ক্ষেত্রে বলেছি।
জামায়াত নেতা ইমাজ উদ্দিন বলেন, সরকারের প্রশাসন, বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে কাজ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশা আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে সজ্জিত হয়েছে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা সময়ের দাবি। জুলাইয়ে আহত শহীদ ও পঙ্গুদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি। এসময় দ্রুতই আওয়ামী লীগের বিচার ও তার দোসর ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করারও জোর দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী মহানগর সভাপতি হুসাইন আহমদ, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুরশিদ আলম ফারুকি, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ সুজন, জামায়াতে ইসলামীর নাটোর জেলা আমির ড. মীর নুরুল ইসলাম, রাজশাহী জেলা সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) বিভাগীয় সমন্বয়ক বাতিনুর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি সভাপতি সাইফুল হকসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

