উত্তরা প্রতিদিন
ঢাকা

এক দিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সব রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক

উত্তরা ডেস্ক ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ণ
এক দিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সব রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক

সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের বাস চলাচল এক দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে পুনরায় শুরু হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘ দিন যাবৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কার্ভাডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তারা উভই পক্ষই নিজেদের সঠিক এবং অপর পক্ষকে ভুল বা ভুয়া দাবি করেছেন। শ্রমিকদের কল্যাণের নামে উত্তোলনকৃত চাঁদাকে একে-অপরকে চাঁদাবাজ হিসেবেও অবহিত করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার সকাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে সব বাস চলাচলে ধর্মঘটের ডাক দেয় জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কার্ভাডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন এবং এক দিনব্যাপী এই ধর্মঘট পালিত হয়।

এ ছাড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার হরিপুর এলাকার শ্রমিক কল্যাণ ফিলিং স্টেশন পাম্পের সামনে নিজেদের নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনায় বসেন জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। এই সময় পাম্পের সামনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কে দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন।

দুই পক্ষের বিরোধ মেটানোর জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুখলেসুর রহমানের নেতৃত্বে দুই পক্ষের নেতাদের দিয়ে আলোচনায় বসেন তারা। দীর্ঘ আলোচনা শেষে আজকে সকাল থেকে সব ধরনের বাস চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পরে ধর্মঘট তুলে নেন জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কার্ভাডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা এবং বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কার্ভাডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে সাবেক এমপি লতিফুর রহমানের সভাপতিত্বে উভয় পক্ষই বসেছিলাম। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় দুই দিন পর ডিসি সাহেবের নেতৃত্বে আমরা আবারও বসবো এবং সেই পর্যন্ত সড়কে চাঁদা উত্তোলন বন্ধ থাকবে। তবে আমরা টার্মিনালে যেভাবে চাঁদা উত্তোলন করি সেটা চালু থাকবে।

 

Read more — উত্তরাঞ্চল
Home