
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের 'দেশের গর্বিত সন্তান' অভিহিত করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, এখনো তারা দেশেই আছেন এবং নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তারা অংশ নেবেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন প্রেস সচিব।
প্রেস সচিব বলেন, এবারের নির্বাচন এমন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে, যার ফলে দেশে গুম-খুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দল এবং জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারীরা বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে নজর রাখতে সাংবাদিকদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।
শপথ অনুষ্ঠান নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, "১৭ তারিখে শপথ। ১০টার দিকে শপথ হবে এমপিদের। এটা জাতীয় সংসদে। ৪টার দিকে জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় কেবিনেট মানে ইনকামিং প্রাইম মিনিস্টার এবং উনার কেবিনেট শপথ গ্রহণ করবে।"
এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কাতার এবং সার্কভুক্ত সাতটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বলে প্রেস সচিব তথ্য দেন।
প্রধান উপদেষ্টা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে 'মহাসাফল্য' হিসেবে দেখছেন জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, " কেবিনেটে আজকে যেটা বলা হয় যে, এই ইলেকশনটা অনেক দিক দিয়েই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। একটা বড় বিষয় সবাই যেটা তুলে ধরেছেন যে, এটা এমন একটা ইলেকশন হয়েছে, যেখানে ফর দ্য ফার্স্ট টাইম আমরা ভালো একটা অপজিশনকে দেখতে পাব।
শফিকুল বলেন, এ নির্বাচনের মাধ্যমে পুলিশ তার 'আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে' বলেও উপদেষ্টা পরিষদের পর্যবেক্ষণ এসেছে।
প্রেস সচিব বলেন, "হোম অ্যাডভাইজার তার বক্তৃতায় বলেন, ইলেকশনের পরে চারজনের মৃত্যুর কথা শোনা যাচ্ছে, তার মধ্যে সত্যিকার অর্থে ইলেকশন রিলেটেড ভায়োলেন্সে মারা গিয়েছেন একজন। আর হাতিয়ার বিষয়ে উনি বলেন যে, এ বিষয়ে একটা তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হচ্ছে, তারা এ বিষয়টা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখবে, ইনভেস্টিগেট করবে।"

