
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া হলে নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ ও ‘গ্রহণযোগ্য’ হবে না বলে মন্তব্য করেছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডি জানায়, আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও ভোটার চূড়ান্ত নির্বাচনি ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ উপেক্ষা করা হলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
‘সবুজ টেকসই অর্থনীতি’র চালচিত্র ও প্রত্যাশা: প্রার্থী ও ভোটার জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক এই ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকায় পরিচালিত জরিপের তথ্য উপস্থাপন করে সিপিডি। গবেষণা সংস্থাটি জানায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় কোনও বড় রাজনৈতিক শক্তি ও তার ভোটারদের বাইরে রেখে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন।
সিপিডি জানায়, নির্বাচন কেবল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি জনগণের প্রতিনিধিত্ব ও মতামতের প্রতিফলন। সে কারণে রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করাই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার মূল শর্ত।
গবেষণা সংস্থাটির মতে, একটি বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে সব প্রধান রাজনৈতিক পক্ষ এবং তাদের সমর্থক ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। তা না হলে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন ওঠার আশঙ্কা থাকবে।

