
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের নাগপুর জেলার রামটেক এলাকায় ঘটেছে এক চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর ঘটনা। ১০৩ বছর বয়সী বৃদ্ধা গঙ্গা শাঁখারীকে মৃত ঘোষণা করার পর তার শেষকৃত্যের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতার মাঝেই তিনি হঠাৎ জীবিত হয়ে ওঠেন, যা উপস্থিত সবাইকে হতবাক করে দেয়।
মঙ্গলবার সকালে সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী গঙ্গা শাঁখারীকে নতুন শাড়ি পরানো হয়। শেষকৃত্যের নিয়ম মেনে তার হাত ও পা বেঁধে দেওয়া হয় এবং নাকে তুলা গুঁজে রাখা হয়। আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীরা তখন শোকমগ্ন অবস্থায় শেষকৃত্যের আয়োজন করছিলেন।
এ সময় গঙ্গার নাতি রাকেশ শাঁখারী তার দাদীর পায়ে সামান্য নড়াচড়া লক্ষ্য করেন। সন্দেহ হলে তিনি দ্রুত নাক থেকে তুলা সরিয়ে দেখেন, গঙ্গা শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। মুহূর্তের মধ্যেই শোকের পরিবেশে নেমে আসে বিস্ময় ও আনন্দ।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং গঙ্গা শাঁখারী সুস্থ হয়ে ওঠেন। শেষকৃত্যের আয়োজন এক মুহূর্তে রূপ নেয় উৎসবে। বিশেষ করে, সেদিনই ছিল গঙ্গা শাঁখারীর ১০৩তম জন্মদিন। তাই পরিবারের সদস্যরা কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনা মানব জীবনের রহস্যময়তা ও অনিশ্চয়তার এক বিরল উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে।

